সর্বশেষ খবর

Top News

হাতপাখার জনসমর্থন মূল্যায়নে ব্যর্থ জামায়াত, আসন সমঝোতায় অচলাবস্থা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জাতীয় নাগরিক পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে চলমান আসনভিত্তিক সমঝোতা আলোচনা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। তাদের দাবি, একটি জাতীয় গণমাধ্যমে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত প্রতিবেদন একপেশে ও বাস্তবতাবিবর্জিত। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এখানে কোনো দলের নেতৃত্বে রাজনৈতিক জোট গঠনের প্রশ্নই নেই; বরং এটি একটি সম্পূর্ণ নির্বাচনী সমঝোতা, যেখানে অংশগ্রহণকারী সব দলের গুরুত্ব ও মর্যাদা সমানভাবে বিবেচিত হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “জামায়াতে ইসলামীর ‘বড়ভাই সুলভ’ মনোভাবের কারণেই এখনো সমঝোতার প্রার্থী চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি। তারা তৃণমূলে হাতপাখার শক্ত অবস্থান, প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতা এবং জনগণের প্রত্যাশা যথাযথভাবে মূল্যায়নে ব্যর্থ হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, সমঝোতার মূল নীতি অত্যন্ত স্পষ্ট—যে আসনে যে দলের সাংগঠনিক শক্তি বেশি, জনসমর্থন দৃশ্যমান এবং জয়ের বাস্তব সম্ভাবনা রয়েছে, সেই আসনে সেই দলের প্রার্থীই চূড়ান্ত হবে। এখানে কোনো দল অন্য দলের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিচ্ছে না এবং কাউকে কোণঠাসা করার প্রশ্নও ওঠে না। নেতারা জোর দিয়ে বলেন, “এটি ক্ষমতার ভাগাভাগির আলোচনা নয়; বরং ভোটের মাঠের বাস্তবতা ও সম্ভাবনার ভিত্তিতে একটি সমন্বিত নির্বাচনী বোঝাপড়া। একে সংকট বা দ্বন্দ্ব হিসেবে তুলে ধরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে এ ধরনের সমঝোতা আলোচনায় মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক। তবে সেগুলোকে সংকট বা বিরোধ হিসেবে উপস্থাপন করলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, যা দায়িত্বশীল গণমাধ্যম চর্চার পরিপন্থী। সংশ্লিষ্ট দলগুলো জানিয়েছে, আলোচনা ইতিবাচক পরিবেশেই এগোচ্ছে এবং সময়মতো আসনভিত্তিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হবে। একই সঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেছে, দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরা হবে।

Post a Comment

Previous Post Next Post